Sale!

যিলহজ্জের আমল ডায়েরি

Rated 5.00 out of 5 based on 2 customer ratings
(2 customer reviews)

Original price was: ৳250.Current price is: ৳185.

লেখিকা – শারিন সফি অদ্রিতা
প্রকাশনী – রাইয়ান প্রকাশন
পৃষ্ঠা: ১৬০, পেপারব্যাক

 

কিছু অংশ পড়ে দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

 

- +

রামাদানের পর আমাদের জীবনে আরেকটি অসাধারণ ইবাদতের মৌসুম আসে, যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন। এই ১০ দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। অথচ সত্যি বলতে, এই দিনগুলোর জন্য আমরা অনেকেই তেমন কোনো পরিকল্পনা করি না। দিনগুলো আসে,  জগত সংসারের দায়িত্বের ভিড়ে কেটে যায় নিয়ামতে ভরপুর দিনগুলো। তারপর আফসোস হয়, “আরেকটু  বুঝে শুনে আগালে হয়তো এই সময়টা আরও সুন্দরভাবে কাজে লাগাতে পারতাম!”

এই আফসোস দূর করতেই আসছে “যিলহজ্জের আমল ডায়েরি”। আপনার জন্যএকটি হৃদয়জাগানিয়া, বাস্তবসম্মত আমল-সঙ্গী! যা আপনাকে যিলহজ্জের প্রতিটি দিনকে পরিকল্পিত, অর্থবহ এবং আল্লাহমুখী করে তুলতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ।

এই ডায়েরিতে থাকছে: দৈনিক আমল চেকলিস্ট, আত্মপর্যালোচনার প্রশ্ন, হৃদয়ছোঁয়া দুআ, যিকিরের পরিকল্পনা, ব্যস্ত মানুষদের জন্য সহজ রুটিন, হাজিদের জন্য করণীয়, যারা হজ্জে যাচ্ছেন না তাদের জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা, নারীদের বিশেষ অবস্থার আমল-আইডিয়া এবং আরও অনেক কিছু।

এটাকে শুধু একটা বই বললে ভুল হবে। এটি আপনার  গোটা জীবনকেই বদলে দেওয়ার একটি বাস্তব পরিকল্পনা।

এটি আপনাকে শুধু ‘ কী কী আমল করব” এতোটুকু বলেই কাজ শেষ করছে না, বরং প্রতিদিন একটু একটু করে নিজেকে গুছিয়ে নিতে, আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে, গুনাহ থেকে দূরে থাকতে এবং আগামী একটা বছরকে আরও সচেতনভাবে শুরু করতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ।

তাই আজই বইটি সংগ্রহ করুন!

নিজের সাফল্যের জন্য ব্যবহার করুন। প্রিয়জনকে উপহার দিন। পরিবারের কাউকে অনুপ্রাণিত করুন।

কারণ কখনো কখনো একটি সুন্দর বই, একটি ছোট পরিকল্পনা, একটি আন্তরিক দুআই হয়তো মানুষের জীবনে অভাবনীয় ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করবে ইন শা আল্লাহ।

 

 

লেখিকা শারিন সফি অদ্রিতা’র প্রকাশিত সকল বইগুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

 

2 reviews for যিলহজ্জের আমল ডায়েরি

  1. Rated 5 out of 5

    আড়াল মুসলিমাহ্ –

    ​‘যিলহজ্জের আমল ডায়েরি’
    ​’যিলহজ্জের আমল ডায়েরি’ বইটি হাতে নেওয়ার পর বুকের ভেতর এক অদ্ভুত তীব্র আকুলতা কাজ করছিল, যার টানে মাত্র ৫ দিনেই বইটির শেষ পাতায় পৌঁছে যাই! বছরের সেরা এই ১০টি দিনকে আল্লাহ তাআলার ভালোবাসায় কীভাবে রাঙিয়ে তুলতে হয়, লেখিকা তা এত দরদ দিয়ে লিখেছেন যে পড়তে পড়তে বুকটা ভারী হয়ে উঠছিল। আল্লাহর খাস রহমতে এই বইটির বদৌলতে আমার যিলহজ্জ মাসটি চোখের পানি আর ইবাদতের তৃপ্তিতে অতিবাহিত হয়েছে। এই অনুভূতি কোনো ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়!

  2. Rated 5 out of 5

    Maliha Binte Sohel –

    আরবি ক্যালেন্ডারে যিলকদ/যুল কদা মাস চলে। “যিলহজ্জের আমল ডায়েরি” বইয়ের কনটেস্ট চোখের সামনে খালি ঘুরঘুর করত। দেখতাম আর ভাবতাম,, ইসস..আমি যদি বইটা পেতাম। কিছুদিন পর দেখলাম গুগল ফর্ম ফিলাপের মাধ্যমে ১৫০ জনকে বই দেওয়া হবে। ফিল-আপ করে ফেললাম ঝটপট। আর আল্লাহকে বললাম এইবার নিরাশ যেনো না হই। কিছুদিন পর জানলাম যারা ফর্ম ফিল-আপ করেছে আল্লাহর রহমতে সব আপুরাই পাচ্ছে বই। আলহামদুলিল্লাহ।

    আমি যেদিন বইটা হাতে পাই সেদিন ছিল ২৯ যিলকদ ১৪৭ হিজরি। যিলহজ মাসের আর ১দিন বাকি😔। আমার মন খারাপ হয়ে যায়। পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুতি নিতে পারব কি না এই ভাবনা যাগে মনে। যাই হোক বিসমিল্লাহ বলে বই পড়া শুরু করি।

    ১৬০ পৃষ্ঠার বইটি। প্রথমেই আমি জানতে পারি এই দশদিনের আমল আল্লাহর কাছে জিহাদের চেয়েও প্রিয়। “এবার একটি সুন্দর নিয়ত করি চলুন” এই পাঠটিতে লেখিকা খুব সহজেই তার পাঠকের মৃতপ্রায় মনকে জাগিয়ে উঠান। যিলহজ্জ কেনো এতো গুরুত্বপূর্ণ তাও লেখিকা সুনিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। আমরা অনেকেই আমাদের সাধারণ জীবনে হাটতে,চলতে, বসতে জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করি।কিন্তু জীবন্ত যিকির করি কয়জন। আমরা তো এই সম্পর্কে জানিও না।।।জীবন্ত যিকির সম্পর্কে অবগত করে লেখিকা আমাদেরকে আল্লাহর কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

    হজ্জ ইসলামের স্তম্ভগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। হজ্জ কয়ভাবে করা যায় সকল বিস্তারিত লেখা আছে।প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহীম (আ:) এর সীমাহীন ত্যাগের গল্প(কুরবানি) ও হাজার (রা:) তাওয়াক্কুল,সাহস ও সংগ্রামের কথা উম্মদে মুহাম্মদের।সকলেই জানে। কিন্তু এই প্রথমবার আমি এই পরীক্ষাকে উপলব্ধি করলাম। বারবার মনে হচ্ছিল সেই ক্লান্ত অসহায় মানুষটি তো আমিই।

    তারপরই শুরু হয় জিলহজ্জের ১০দিনের ২৪ ঘন্টার নমুনা,,ছোট ছোট হৃদয়ছোয়া দোয়া,আত্মপর্যালোচনা,চেকলিস্ট, আমল ট্র্যাকার এবং এই বইয়ের সবচেয়ে সুন্দর মোনাজাত। আল্লাহু আকবর.. সুবহানাল্লাহ… এত্তো সুন্দর মোনাজাত।।।

    এইবইয়ে আপু তার বায়তুল্লাহ দেখার গল্প লিখেছেন। গল্প পড়তে গিয়ে আমি ১০ বছর পিছনে চলে গিয়েছিলাম। আমার শেষ বায়তুল্লাহ দেখার স্মৃতি। আপুর লিখা শেষ পাতাগুলো পড়ছিলাম আর মনে হচ্ছিল ১০ বছর আগে আমি কিভাবে সাঈ করেছিলাম। ইফতার,জমজম,তোওয়াফ সব যেনো চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছিল।

    আপু তার “শেষ কথা” দিয়ে এই চমৎকার বইটি শেষ করেন। কিন্তু এই বইটির আবেস প্রতি বছর আমার কাছে নতুনের মতো থাকবে। প্রতি বছর যিলহজ্জ মাসে আমি বইটি পড়ব।।।

    যেই শুভাকাঙ্ক্ষীর মাধ্যমে বইটি উপহার পেয়েছি তার জন্য রইল দোয়া আর ভালবাসা।

    প্রিয় কোটেশন….”আমি চেষ্টা করব,আর আমার রব আমাকে নিরাশ করবেন না।আমি আমার সীমিত সামর্থ্য দিয়েই দৌড়াবো,আর ফলাফল আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দেবো।”

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like…

Scroll to Top